জনজীবন ডেস্ক ::////
সাবেক সেনাপ্রধান, সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের, সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জোবায়দা রহমানের স্বামী বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে তার স্ত্রীর পৈতৃক পরিত্যক্ত বাড়ীতে উঠবেন।
তারেক রহমান দেশে আসবেন। তবে তার আগে ঢাকায় থাকার জায়গা প্রস্তুত করার জন্য অপেক্ষা করছেন। ঢাকা শহরে উনার কোনো জমি, বাড়ি কিংবা ফ্ল্যাট কিছুই নাই। বগুড়া শহর থেকে ১২ কিমি দূরে ৬ বিঘা সম্পত্তি আছে। এর বাইরে উনার কোথাও কোনো সম্পত্তি নেই। তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও তার বড় বোন শাহীনা জামান বিন্দুর উত্তরাধিকার সূত্রে বারিধারা ডিওএইচএসে একটি বাড়ি আছে। বাড়িটি তারেক রহমানের শ্বশুর সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মাহবুব আলী খানের সূত্রে পাওয়া। বাড়িটি দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে ছিল। তারেক রহমান সস্ত্রীক ঢাকায় গিয়ে এই বাড়িতেই উঠতে চান। সেই লক্ষ্যে বাড়িটিতে বড় ধরনের সংস্কার কাজ চলছে।
জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় সাভার অরুণাপল্লীতে জমির বুকিং দিয়েছিলেন এবং বাকি টাকা পরিশোধে ছয় মাস সময় নেন। ছয় মাস পর তিনি লোক পাঠিয়ে জানান, তাঁর বগুড়ায় একটা জমি বিক্রির কথা হচ্ছিল, পারেননি, তাই তিনি জমিটি আর কিনতে পারছেন না। কমিটি অন্যদের সঙ্গে তাঁর সময়ও বাড়িয়ে দেয়। সেই ছয় মাস শেষেও তিনি টাকা দিতে ব্যর্থ হন। কমিটির একজন তাঁকে উপহার দেওয়ার প্রস্তাব তুললেও তাঁকে প্রস্তাব করার সাহস কেউ করেননি। তিনিও নিয়মমতো জরিমানা দিয়ে টাকা ফেরত নেন।
জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০ মে নিহত হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার সেনানিবাসের মইনুল রোডের ওই বাড়িটি খালেদা জিয়াকে লিজ দেন। সেনা সদরের ৬ নম্বর শহীদ মইনুল রোডে ২ দশমিক ৭২ একর জমির ওপর স্থাপিত বাড়িটি বছরে এক টাকা খাজনা দেওয়ার শর্তে লিজ দেওয়া হয়। প্রতিবছর খাজনা ও ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, ফলের গাছসহ অন্য কোনো গাছ না কাটা, খনিজসম্পদ পাওয়া গেলে তা উত্তোলন না করা, বাড়ির পরিবর্তন বা পরিবর্ধন না করা, অন্য কারো কাছে বিক্রি বা লিজ বা বন্ধক না দেওয়া ও সম্পত্তি বিভক্ত না করার শর্তে এই লিজ দেওয়া হয়। সেই বাড়িটি থেকেও ২০১০ সালে উনাকে উচ্ছেদ করা হয়। গুলশানে উনি ভাড়া ফ্ল্যাটে থাকেন।