রিয়াজ মাহমুদ ::///
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে হত্যাকরে৷ গুমের উদ্দেশ্যে মরাদেহ দীঘিতে ফেলে দেয়।
আসামি আটকের পর রিমান্ডে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য।
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নিখোঁজ ফাতেমা আক্তার (৬) মরদেহ উপজেলা রশুনিয়া গ্রামের নূরানী মাদ্রাসার পাসের দিগী থেকে উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের সূত্রে জানা যায় গত মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে খালার সাথে বাড়ির পাশের রশুনিয়া নূরানী মাদ্রাসার ওয়াজ মাহফিলে যায় ফাতেমা। পরে সেখানে থাকবে বলে বায়না ধরলে তার খালা ফাতেমার বড় ভাই ইসমাইলের কাছে তাকে রেখে আসে। কিন্তু ইসমাইল তার কাজে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যায়। ফাতেমা খেলার ছলে রাস্তার পাশে গিয়ে নিখোঁজ হয়।
স্থানীয়রা ওয়াজ মাহফিলের আইসক্রিম বিক্রতে সাব্বির খানেক (২৫) সন্দেহভাজন আটক করে পুলিশে দেয়। এ ঘটনার পরদিন ফাতেমার মা বিলকিস বেগম বাদী হয়ে সাব্বিরকে প্রধান অভিযুক্ত করে সিরাজদিখান থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ সাব্বিরকে আদালতে প্রেরন করে ২ দিনের রিমান্ডে আনলে সে জানায় ধর্ষন চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ গুম করতে দিঘিতে ফেলে দেয়। তার দেখানো দিঘি থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।
সিরাজদিখান থানার (ওসি) শাহেদ আল মামুন এসব তথ্য জানান।
তিনি আরো বলেন মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
