মুন্সীগঞ্জে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেলেন পরকীয়াকারী প্রেমিক প্রেমিকা
মোঃ সাইফুল ইসলাম :::///
সোমবার রাতে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেলেন পরকীয়াকারী প্রেমিক প্রেমিকা মাওলানা এনামুল ও মোসাম্মৎ মিলি।

মাওলানা এনামুল হক (২৫), পিতা সিরাজুল ইসলাম, মাতা নাজমা বেগম, সাং চর লাউলানী, থানা নড়িয়া, জেলা শরীয়তপুর। বর্তমান ঠিকানা- বাসা নং- ৫৭, রোড নং- ১৩, সেক্টর- ১০, থানা উত্তরা পশ্চিম ঢাকা।
জানাযায় মিলির ৮ বছরের একটি ছেলে ও তার প্রথম স্বামী রেখে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে চলে আসলেও মাওলানা এনামুল হক এর আগে আরো দুটি বিয়ে করেন। যে সময় এনামুলের সদ্য প্রসূত স্ত্রী সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে অযত্নে বিনা চিকিৎসায় ছটফট করছে সেখানে আলেম পোশাকধারী মাওলানা এনামুল পরের স্ত্রী নিয়ে ফুর্তি করছে।
সোমবার সন্ধ্যায় মুন্সিগঞ্জের সদর উপজেলার লঞ্চঘাট এলাকার সাধারণ জনগণ ঐ আলমকে অপকর্ম করার সময় হাতে নাতে ধরে ফেলে তারপর ঐ আলমকে ও তার প্রেমিকা মিলিসহ দুজনকেই মুন্সিগঞ্জ সদর থানার পুলিশের কাছে তুলে দেয়া হয় ।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার এসআই কাজি জাকারিয়া দুই পক্ষের লোকজনদের জিজ্ঞেসা বাদ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মাওলানা এনামুলের বড় ভাই। তার বড় ভাই জানান এনামুল এর আগে আরও দুটি বিয়ে করেছে। প্রথম বউকে ডিভোর্স দিয়ে পরে আরও একটি বিয়ে করে। সেই বউয়ের গর্ভে গত ১৮/০১/২০২৫ ইং রোজ শনিবার একটি কন্যা সন্তান হয়। তার বড় ভাই আরো জানান ঐ কন্যা সন্তান জন্ম নেয়ার সময় সে তার স্ত্রীর পাশে উপস্থিত ছিলেন না। তার নিজের বড় ভাই কাঁদতে কাঁদতে আরও বলেন মানুষ কতটা নিচে নামলে এতোটা জগন্য হতে পারে যে নিজের স্ত্রী সন্তানের খোঁজ খবর না রেখে অন্য লোকের স্ত্রীকে নিয়ে পরকিয়া করতে পারে। যে মহিলার সাথে পরকিয়া করেছে সেই মহিলার ৮ আট বছরের একটি পুত্র সন্তান আছে। তার স্বামীর সাথে ডিভোর্স হয়নাই এমতাবস্থায় কি করে একটা সংসার ভেঙ্গে তার নিজের স্ত্রী সন্তান রেখে, অন্যলোকের স্ত্রী কে নিয়ে পালিয়ে যেতে পারে। উভয় পক্ষের জিজ্ঞেসাবাদের পড়ে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে এনামুল কে তার বড়ো ভাই মুচলেকা দিয়ে তার নিজ জিম্মায় নিয়ে যায়। আর মেয়েকে তার বাবার হাতে তুলে দেয় মুচলেকা দিয়ে। ঐ সময় মেয়ের প্রথম স্বামী ও উপস্থিত ছিলেন। মেয়ের প্রথম স্বামী জানন আমার স্ত্রী না হয় ইসলাম সমন্দে কিছু জাননা কিন্তু উনিতো একজন আলেম। উনারতো ইসলামি জ্ঞান কিছুটা হলেও আছে। আমার প্রশ্ন হলো স্বামী স্ত্রী তালাক দেওয়ার পর। তিন হায়েজ অর্থাৎ তিন মাস দশদিন ইদ্দত পালন করতে হয়। আর আমাদের এখনো ডিভোর্স বা ছাড়াছাড়ি হয় নাই। উনি কি করে আমার স্ত্রী কে নিয়ে পালিয়ে যায়। যেখানে আমরা আলেমদের কাছ থেকে শিখবো। সেখানে আলেমদের যদি এই অবস্থা হয়। আমরা সাধারণ মানুষ কি করবো এইটা আমার জাতির বিবেকবান মানুষের কাছে প্রশ্ন।